গাজায় যুদ্ধ-বিরতি, সমন্বয় কেন্দ্রের প্রধান স্টিভেন ফ্যাগিন।
গাজায় যুদ্ধ-বিরতি সমন্বয় কেন্দ্রের প্রধান স্টিভেন ফ্যাগিন
গাজায় যুদ্ধ-বিরতি সমন্বয় কেন্দ্রের প্রধান নিযুক্ত হলেন স্টিভেন ফ্যাগিন। এই নিযুক্তি এমন একটা সময় হল যখন যুদ্ধ বিরোধী বজায় রাখার জন্য ওয়াশিংটন ইজরাইলের উপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং অন্যান্য সহায়তাকারী গোষ্ঠীগুলো মানবিক সংকট আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করছে।
গতকাল ২৪ অক্টোবর শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইয়েমেনে নিযুক্ত প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভেন ফ্যাগিনকে গাজার বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্রের বেসামরিক প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেছে। রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০-দফা গাজা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই সমন্বয় কেন্দ্র গঠন করা হয়।মিঃ ফ্যাগিন বিগত ২০২২ সাল থেকে ইয়েমেনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। একজন পেশাদার কূটনীতিক হিসাবে গাজায় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার জন্য সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে আমেরিকান এবং অন্যান্য সহযোগীদের প্রচেষ্টার সমন্বয় সাধন করার উদ্দেশ্যেই তার এই নিযুক্তি।
অভিযোগ উঠেছে, এই যুদ্ধে প্রায় ৬৮,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই দাবি করেছে গাজার ফিলিস্তিনি প্রশাসন। তাদের দাবি অনুযায়ী এদের বেশিরভাগই হলো নারী ও শিশু।গত শুক্রবার ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণে কিরিয়াত গাট (Kiryat Gat)-এ অবস্থিত এই কেন্দ্রটি পরিদর্শন করার সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, এই কেন্দ্রটি যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে ‘সুস্থ আশাবাদ’ প্রতিফলিত করে।
চুক্তির প্রতি ওয়াশিংটনের প্রতিশ্রুতির ইঙ্গিত দিতে এই সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার সহ ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মাস্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল ট্রাম্পের ২০-দফা গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপ ১০ অক্টোবর সম্পন্ন হয়। শুক্রবার তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি (আনাতোলিয়া এজেন্সি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রথম ধাপে ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময়ে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হয়। পরিকল্পনায় গাজার পুনর্নির্মাণ এবং হামাস ছাড়াই একটি নতুন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কথাও কল্পনা করা হয়েছে।
বিগত ২০২৩ সালের অক্টোবর মাস থেকে, ইসরায়েল যুদ্ধের নামে নির্বিচারে গণহত্যা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, এই যুদ্ধে প্রায় ৬৮,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এই দাবি করেছে গাজার ফিলিস্তিনি প্রশাসন। তাদের দাবি অনুযায়ী এদের বেশিরভাগই হলো নারী ও শিশু। অস্তিত্ব পক্ষে দীর্ঘ দু বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের ফলে গাঁজা একেবারেই বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
